সূরা আর-রাদ (বজ্রধ্বনি — الرعد) (আয়াত 33)

নিচের অনুসন্ধান টুলটি ব্যবহার করুন নির্দিষ্ট একটি সূরা থেকে এক বা একাধিক আয়াত দেখতে, পাশাপাশি আপনার নির্বাচিত ভাষায় তাদের অনুবাদ।




13 আর-রাদ(الرعد), আয়াত ৩৩

أَفَمَنْ هُوَ قَائِمٌ عَلَىٰ كُلِّ نَفْسٍ بِمَا كَسَبَتْ ۗ وَجَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ قُلْ سَمُّوهُمْ ۚ أَمْ تُنَبِّئُونَهُ بِمَا لَا يَعْلَمُ فِي الْأَرْضِ أَمْ بِظَاهِرٍ مِنَ الْقَوْلِ ۗ بَلْ زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا مَكْرُهُمْ وَصُدُّوا عَنِ السَّبِيلِ ۗ وَمَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ هَادٍ 33 ٣٣

ওরা প্রত্যেকেই কি মাথার উপর স্ব স্ব কৃতকর্ম নিয়ে দন্ডায়মান নয়? এবং তারা আল্লাহর জন্য অংশীদার সাব্যস্ত করে। বলুন; নাম বল অথবা খবর দাও পৃথিবীর এমন কিছু জিনিস সম্পর্কে যা তিনি জানেন না? অথবা অসার কথাবার্তা বলছ? বরং সুশোভিত করা হয়েছে কাফেরদের জন্যে তাদের প্রতারণাকে এবং তাদেরকে সৎপথ থেকে বাধা দান করা হয়েছে। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথ প্রদর্শক নেই। (৩৩)

তাফসির
৩৩ সে (উত্তরে) বলল, ‘কালো পচা শুষ্ক ঠনঠনে মাটি হতে যে মানুষ তুমি সৃষ্টি করেছ, আমি তাকে সিজদা করবার নই।’
[১] শয়তান তার সিজদা করতে অস্বীকার করার কারণ দর্শাল যে, আদম মাটির তৈরী মানুষ। যার অর্থ মানুষকে মানুষ হিসাবে তুচ্ছজ্ঞান করা হল শয়তানী দর্শন; যা হকপন্থীদের আকীদা হতে পারে না। এই জন্য হকপন্থীগণ নবীগণের মানুষ হওয়ার কথা অস্বীকার করেন না। কারণ তাঁদের মানুষ হওয়ার কথা কুরআন পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছে। তাছাড়া তাদের মানুষ হওয়াতে তাঁদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় না এবং সম্মানে কোন পার্থক্যও আসে না।

বিকল্পভাবে, নিচে প্রদত্ত স্মার্ট অনুসন্ধান বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন