এই পৃষ্ঠায় কুরআন এবং তার শিক্ষার বিষয়ে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিটি উত্তর নির্ভরযোগ্য ইসলামিক সূত্রের উপর ভিত্তি করে।
কুরআনে মোট ১১৪টি সূরা রয়েছে।
সবচেয়ে বড় সূরা হলো সূরা আল-বাকারা (সূরা ২), যাতে ২৮৬টি আয়াত রয়েছে।
সবচেয়ে ছোট সূরা হলো সূরা আল-কাওসার (সূরা ১০৮), যাতে মাত্র ৩টি আয়াত রয়েছে।
কুরআনে মোট ৬২৩৬টি আয়াত রয়েছে (বিসমিল্লাহ বাদে)।
কুরআন শুদ্ধ আরবি ভাষায় নাজিল হয়েছে।
কুরআন আবু বকর (রাঃ) এর খিলাফতে সংকলিত হয় এবং উসমান (রাঃ) এর খিলাফতে একরূপ করা হয়।
কুরআন প্রায় ২৩ বছরে নাজিল হয়েছে।
প্রথম নাজিল হওয়া আয়াতগুলো ছিল সূরা আল-আলাক (৯৬:১–৫) থেকে।
কুরআন মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর নাজিল হয়েছে।
না, কুরআন ২৩ বছরে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে নাজিল হয়েছে এবং বর্তমান বিন্যাসটি ঐশী দিকনির্দেশনায় নির্ধারিত হয়েছে, যা ক্রমানুসারে নয়।
কুরআন মুসলিমদের প্রজন্ম ধরে মুখস্থ ও পাণ্ডুলিপি অনুলিপির মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। এর পাঠ শুরু থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে।
হ্যাঁ, বিশ্বজুড়ে কুরআনের আরবি পাঠ এক ও অপরিবর্তিত। প্রত্যেক মুসলিম একই শব্দ পড়ে থাকেন।
“বিসমিল্লাহ” বলতে বোঝায়: “আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।”
আয়াত হলো কুরআনের একটি “আয়াহ/পদ”—অর্থাৎ কুরআনের প্রতিটি পৃথক বাক্য/পংক্তি (Verse)।
জুয হলো কুরআনের ৩০টি সমান অংশের একটি, যাতে সহজে ধারাবাহিক তিলাওয়াত/পাঠ করা যায়।
হিজব হলো পাঠের সুবিধার্থে কুরআনের একটি ভাগ; সাধারণভাবে কুরআন ৬০টি হিজবে ভাগ করা হয়।
মাক্কী সূরা হলো যেগুলো হিজরতের আগে মক্কায় নাজিল হয়েছে, আর মাদানী সূরা হলো যেগুলো হিজরতের পরে মদীনায় নাজিল হয়েছে।
তাজবিদ হলো কুরআন তিলাওয়াত সঠিকভাবে উচ্চারণ ও নিয়ম মেনে পড়ার বিজ্ঞান/নিয়মাবলি।
না। অনুবাদ কুরআনের অর্থ বোঝাতে সাহায্য করে, কিন্তু কুরআন মূলত তার আরবি পাঠ। অনুবাদকে সাধারণত “অর্থের অনুবাদ” হিসেবে ধরা হয়।
বাংলা ভাষার জন্য Quran.is তাফসির আহসানুল বয়ান ব্যবহার করে। উজবেক, ইন্দোনেশীয়, ইতালীয়, ফারসি, তুর্কি, তাগালোগ, হিন্দি ও পশতু ভাষায় আল-মুখতাসার ব্যবহার করা হয়। জার্মান ভাষায় Tafsīr Al-Qur’ān Al-Karīm (Ibn Rassoul) ব্যবহৃত হয়।