আর তোমরা যদি প্রবাসে থাক এবং কোন লেখক না পাও তবে বন্ধকী বন্তু হস্তগত রাখা উচিত। যদি একে অন্যকে বিশ্বাস করে, তবে যাকে বিশ্বাস করা হয়, তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা এবং স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় কর! তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। যে কেউ তা গোপন করবে, তার অন্তর পাপপূর্ণ হবে। তোমরা যা করা, আল্লাহ সে সম্পর্কে খুব জ্ঞাত। (২৮৩)
তাফসির
২৮৩. তোমরা যদি মুসাফির হও আর সেখানে তোমাদের ঋণ সংক্রান্ত চুক্তি লেখার জন্য কাউকে না পাও তাহলে ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করা পর্যন্ত পাওনাদারের নিকট কোন কিছু জামানত স্বরূপ বন্ধক রাখলেই চলবে। আর যদি একে অপরের উপর বিশ্বস্ত থাকে তাহলে সেখানে কোন কিছুরই দরকার নেই। না লেখার, না সাক্ষীর, না বন্ধকের। তখন শুধু ঋণটুকু ঋণগ্রহীতার জিম্মায় আমানত স্বরূপই থাকবে। যা তাকে অবশ্যই ঋণদাতার নিকট পৌঁছিয়ে দিতে হবে। উপরন্তু সে যেন এ আমানতের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে এবং তা থেকে কোন কিছু অস্বীকার না করে। আর যদি সে কোন কিছু অস্বীকার করে বসে তাহলে যে ব্যক্তি উক্ত লেনদেনের সময় উপস্থিত ছিলো তাকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দিতে হবে। সে যেন কখনো এ ব্যাপারে সাক্ষ্য গোপন না করে। তবে যে ব্যক্তি তা গোপন রাখবে তার অন্তর নিশ্চয়ই পাপীর অন্তর। আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের কর্মকাÐ সবই জানেন। তাঁর নিকট কোন কিছু গোপন নয়। তাই তিনি অচিরেই তোমাদের কর্মকাÐের প্রতিদান দিবেন।
বিকল্পভাবে, নিচে প্রদত্ত স্মার্ট অনুসন্ধান বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন