সূরা আন-নামল (পিপীলিকা — النمل) (আয়াত 18)

নিচের অনুসন্ধান টুলটি ব্যবহার করুন নির্দিষ্ট একটি সূরা থেকে এক বা একাধিক আয়াত দেখতে, পাশাপাশি আপনার নির্বাচিত ভাষায় তাদের অনুবাদ।




27 আন-নামল(النمل), আয়াত ১৮

حَتَّىٰ إِذَا أَتَوْا عَلَىٰ وَادِ النَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَا أَيُّهَا النَّمْلُ ادْخُلُوا مَسَاكِنَكُمْ لَا يَحْطِمَنَّكُمْ سُلَيْمَانُ وَجُنُودُهُ وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ 18 ١٨

যখন তারা পিপীলিকা অধ্যূষিত উপত্যকায় পৌঁছাল, তখন এক পিপীলিকা বলল, হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর। অন্যথায় সুলায়মান ও তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে। (১৮)

তাফসির
১৮ যখন ওরা পিপীলিকা অধ্যুষিত উপত্যকায় পৌঁছল, তখন এক পিপীলিকা বলল, ‘হে পিপীলিকাদল! তোমরা তোমাদের বাসায় প্রবেশ কর, নচেৎ সুলাইমান এবং তার বাহিনী তাদের অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পদতলে পিষে ফেলবে।’
[১] এখান হতে জানা গেল যে, জীব-জন্তুরও এক বিশেষ বুঝশক্তি আছে, যা মানুষের থেকে অনেক কম ও ভিন্নতর। দ্বিতীয়তঃ সুলাইমান (আঃ) এত মহত্ত্ব ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও গায়বের খবর জানতেন না। সেই জন্যই তো পিপীলিকার এই ভয় হল যে, তাঁদের অজান্তে আমরা যেন তাঁদের পদপিষ্ট না হয়ে পড়ি। তৃতীয়তঃ জীব-জন্তুরাও এই শুদ্ধ আকীদায় বিশ্বাসী যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ গায়েব জানেন না। চতুর্থতঃ সুলাইমান (আঃ) পাখী ছাড়া অন্য জীবের ভাষাও বুঝতেন। এই জ্ঞান মহান আল্লাহ মু'জিযাস্বরূপ তাঁকে প্রদান করেছিলেন। যেমন জীনদের তাঁর অধীনস্থ করে দেওয়াও ছিল এক মু'জিযা।

বিকল্পভাবে, নিচে প্রদত্ত স্মার্ট অনুসন্ধান বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন