সূরা আল-আহকাফ (বালুময় উপত্যকা — الأحقاف) (আয়াত 12)

নিচের অনুসন্ধান টুলটি ব্যবহার করুন নির্দিষ্ট একটি সূরা থেকে এক বা একাধিক আয়াত দেখতে, পাশাপাশি আপনার নির্বাচিত ভাষায় তাদের অনুবাদ।




46 আল-আহকাফ(الأحقاف), আয়াত ১২

وَمِنْ قَبْلِهِ كِتَابُ مُوسَىٰ إِمَامًا وَرَحْمَةً ۚ وَهَٰذَا كِتَابٌ مُصَدِّقٌ لِسَانًا عَرَبِيًّا لِيُنْذِرَ الَّذِينَ ظَلَمُوا وَبُشْرَىٰ لِلْمُحْسِنِينَ 12 ١٢

এর আগে মূসার কিতাব ছিল পথপ্রদর্শক ও রহমতস্বরূপ। আর এই কিতাব তার সমর্থক আরবী ভাষায়, যাতে যালেমদেরকে সতর্ক করে এবং সৎকর্মপরায়ণদেরকে সুসংবাদ দেয়। (১২)

তাফসির
১২ যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার নিম্নদেশে নদীমালা প্রবাহিত। কিন্তু যারা অবিশ্বাস করে, তারা ভোগ-বিলাসে লিপ্ত থাকে এবং জন্তু-জানোয়ারের মত উদর-পূর্তি করে। [১] আর তাদের নিবাস হল জাহান্নাম। [১] অর্থাৎ, যেভাবে জীব-জন্তুদের উদর এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ ছাড়া আর কোন কাজ থাকে না, অনুরূপ অবস্থা হল কাফেরদের। তাদের জীবনের উদ্দেশ্যও (ইহকালে) খাওয়া-পরা ছাড়া আর কিছুই নয়। পরকালের ব্যাপারে তারা একেবারে উদাসীন। এরই ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে খাওয়া যে নিষেধ তাও প্রমাণিত হয়। বর্তমানে বিভিন্ন দাওয়াত অনুষ্ঠানে যার ব্যাপক প্রচলন হয়ে গেছে। কেননা, এতে রয়েছে জীব-জন্তুর সাদৃশ্য অবলম্বন; যেটা কাফেরদের অভ্যাস। বহু হাদীসে দাঁড়িয়ে পানি পান করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাঃ) নিষেধ করেছেন যে, কোন লোক যেন দাঁড়িয়ে পান না করে। আনাস (রাঃ)-কে দাঁড়িয়ে খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, 'এটা তো আরো খারাপ ও আরো নোংরা।" (মুসলিম ২০২৪নং) কাজেই জন্তু-জানোয়ারের মত দাঁড়িয়ে পানাহার করা থেকে বিরত থাকা অতীব প্রয়োজনীয় আচরণ। (দ্রঃ যাদুল মাআ'দ)

বিকল্পভাবে, নিচে প্রদত্ত স্মার্ট অনুসন্ধান বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন