সূরা আল-মায়িদা (পরিবেশিত খাদ্য — المائدة) (আয়াত 101)

নিচের অনুসন্ধান টুলটি ব্যবহার করুন নির্দিষ্ট একটি সূরা থেকে এক বা একাধিক আয়াত দেখতে, পাশাপাশি আপনার নির্বাচিত ভাষায় তাদের অনুবাদ।




5 আল-মায়িদা(المائدة), আয়াত ১০১

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِنْ تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ 101 ١٠١

হে মুমিণগন, এমন কথাবার্তা জিজ্ঞেস করো না, যা তোমাদের কাছে পরিব্যক্ত হলে তোমাদের খারাপ লাগবে। যদি কোরআন অবতরণকালে তোমরা এসব বিষয় জিজ্ঞেস কর, তবে তা তোমাদের জন্যে প্রকাশ করা হবে। অতীত বিষয় আল্লাহ ক্ষমা করেছেন আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল। (১০১)

তাফসির
১০১ হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা সে সব বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা প্রকাশিত হলে তোমাদেরকে খারাপ লাগবে। কুরআন অবতরণের সময় তোমরা যদি সে সব বিষয়ে প্রশ্ন কর, তবে তা তোমাদের নিকট প্রকাশ করা হবে।[১] আল্লাহ (পূর্বেকার) সে সব বিষয় ক্ষমা করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ বড় ক্ষমাশীল, বড় সহনশীল। [১] এই নিষেধাজ্ঞা কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময়ে ছিল। খোদ নবী করীম (সাঃ)ও সাহাবাগণকে বেশী বেশী প্রশ্ন করতে নিষেধ করতেন। এক হাদীসে আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, "মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী হচ্ছে ঐ ব্যক্তি, যার প্রশ্ন করার ফলে কোন জিনিস হারাম করে দেওয়া হল, অথচ ইতিপূর্বে তা হালাল ছিল।" (বুখারী ৭২৮৯নং, মুসলিম) [(আর এক হাদীসে তিনি বলেন, "---আল্লাহ তোমাদের জন্য পরের কথা চর্চা, অধিকাধিক প্রশ্ন এবং অর্থ নষ্ট করাকে অপছন্দ করেছেন।" (বুখারী ও মুসলিম)]

বিকল্পভাবে, নিচে প্রদত্ত স্মার্ট অনুসন্ধান বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন