সূরা আত-তাওবা (তওবা — التوبة) (আয়াত 47)

নিচের অনুসন্ধান টুলটি ব্যবহার করুন নির্দিষ্ট একটি সূরা থেকে এক বা একাধিক আয়াত দেখতে, পাশাপাশি আপনার নির্বাচিত ভাষায় তাদের অনুবাদ।




9 আত-তাওবা(التوبة), আয়াত ৪৭

لَوْ خَرَجُوا فِيكُمْ مَا زَادُوكُمْ إِلَّا خَبَالًا وَلَأَوْضَعُوا خِلَالَكُمْ يَبْغُونَكُمُ الْفِتْنَةَ وَفِيكُمْ سَمَّاعُونَ لَهُمْ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِالظَّالِمِينَ 47 ٤٧

যদি তোমাদের সাথে তারা বের হত, তবে তোমাদের অনিষ্ট ছাড়া আর কিছু বৃদ্ধি করতো না, আর অশ্ব ছুটাতো তোমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশে। আর তোমাদের মাঝে রয়েছে তাদের গুপ্তচর। বস্তুতঃ আল্লাহ যালিমদের ভালভাবেই জানেন। (৪৭)

তাফসির
৪৭ প্রত্যেক উম্মতের জন্য এক একজন রসূল ছিল। সুতরাং যখন তাদের রসূল এসেছে, তখন ন্যায়ভাবে তাদের ফায়সালা করা হয়েছে,[১] আর তাদের প্রতি কোন অবিচার করা হয়নি। [১] এর একটি অর্থ এই যে, সকল জাতির নিকট আমি রসূল প্রেরণ করেছি। আর যখন রসূল তার তবলীগের দায়িত্ব পূর্ণ করে দিত, তখন আমি তাদের মাঝে ইনসাফের সাথে ফায়সালা করে দিতাম। অর্থাৎ, পয়গম্বর ও তাঁর প্রতি ঈমান আনয়নকারীদেরকে বাঁচিয়ে নিতাম আর অন্যান্যদেরকে ধ্বংস করে দিতাম। কারণ, وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّى نَبْعَثَ رَسُولًا অর্থাৎ, "কোন রসূল না পাঠানো পর্যন্ত আমি কাউকেই শাস্তি প্রদান করি না।" (সূরা ইসরা' আল-ইসরা ১৭:১৫ ) আর এই ফায়সালাতে তাদের প্রতি কোন রকম অবিচার ও অত্যাচার হয় না। কারণ অত্যাচার তখনই হবে, যখন কোন গুনাহ ছাড়া তাদের উপর শাস্তি অবতীর্ণ করা হবে। অথবা কোন পূর্ণ প্রমাণ পেশ করা ছাড়াই তাদেরকে পাকড়াও করা হবে। (ফাতহুল কাদীর) এর দ্বিতীয় অর্থ এই বর্ণনা করা হয়েছে যে, এর সম্পর্ক হচ্ছে কিয়ামতের দিনের সাথে। অর্থাৎ কিয়ামতের দিন সমস্ত উম্মত যখন আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হবে, তখন সেই উম্মতের প্রতি প্রেরিত রসূলও তাদের সাথে থাকবেন, সকলের আমলনামাও থাকবে এবং সাক্ষী স্বরূপ ফিরিশতাগণও উপস্থিত হবেন এবং এইভাবে সমস্ত উম্মত ও তাদের রসূলের মাঝে ইনসাফের সাথে ফায়সালা করা হবে। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, উম্মতে মুহাম্মাদীর ফায়সালা সর্বপ্রথম করা হবে। যেমন নবী (সাঃ) বলেন,"যদিও আমরা সর্বশেষে এসেছি, কিন্তু কিয়ামতের দিন সকলের অগ্রভাগে থাকব এবং সমস্ত সৃষ্টির আগেই আমাদের ফায়সালা করা হবে।" (মুসলিম, তাফসীর ইবনে কাসীর)

বিকল্পভাবে, নিচে প্রদত্ত স্মার্ট অনুসন্ধান বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করুন