ইব্রাহীমের ধর্ম থেকে কে মুখ ফেরায়? কিন্তু সে ব্যক্তি, যে নিজেকে বোকা প্রতিপন্ন করে। নিশ্চয়ই আমি তাকে পৃথিবীতে মনোনীত করেছি এবং সে পরকালে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। আল-বাকারা ২:১৩০ ⧉
তাফসির:
১৩০ এবং যদি তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যায়, তাহলে আল্লাহ তাঁর প্রাচুর্য দ্বারা তাদের প্রত্যেককে অভাবমুক্ত করবেন। [১] বস্তুতঃ আল্লাহ প্রাচুর্যময়, প্রজ্ঞাময়। [১] এখানে তৃতীয় অবস্থার কথা বলা হচ্ছে যে, প্রচেষ্টা সত্ত্বেও যদি বনিবনাও না হয়, তাহলে তারা তালাকের মাধ্যমে পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যাবে। হতে পারে তালাকের পর পুরুষ তার চাহিদার গুণের নারী এবং মহিলা তার চাহিদার গুণের পুরুষ পেয়ে যাবে। ইসলামে তালাককে চরম ঘৃণা করা হয়েছে। একটি হাদীসে এসেছে যে, ( أَبْغَضُ الحَلاَلِ إِلَى اللهِ الطَّلاَقُ ) অর্থাৎ, তালাক আল্লাহর নিকট সর্বাধিক ঘৃণিত হালাল বস্তু। (আবূ দাঊদ) তা সত্ত্বেও আল্লাহ তাতে অনুমতি দিয়েছেন। কারণ, কোন কোন সময় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছে যে, তালাক ব্যতীত অন্য কোন উপায় থাকে না এবং তাদের উভয় পক্ষের মঙ্গল একে অপর থেকে পৃথক হওয়ার মধ্যেই থাকে। উল্লিখিত হাদীস সনদের দিক দিয়ে দুর্বল হলেও কুরআন ও হাদীসের উক্তির দ্বারা এ কথা পরিষ্কার হয় যে, এ (তালাকের) অধিকার তখনই কার্যকরী করা উচিত, যখন কোনভাবেই বনিবনাও সম্ভব হবে না। দ্রষ্টব্যঃ উল্লিখিত হাদীস ( أَبْغَضُ الحَلاَل ...)কে আল্লামা আলবানী দুর্বল বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীলঃ ২০৪০নং) তবে শরয়ী কোন কারণ ছাড়া তালাক দেওয়া যে অপছন্দনীয় তাতে কোন সন্দেহ নেই।