Landscape MP4 Vertical MP4

সূরা আল-বাকারা — আয়াত 184 (বাংলা) — ভিডিও

আল-বাকারা • আয়াত 184 এর মধ্যে 286 • বাংলা


أَيَّامًا مَعْدُودَاتٍ ۚ فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۚ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ۖ فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ ۚ وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ ۖ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ 184
অনুবাদ:
গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণ কর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার। আল-বাকারা ২:১৮৪
তাফসির:
১৮৪. তোমাদের উপর ফরয রোযা হলো তোমরা পুরো বছরে হাতে গণা মাত্র কয়েকদিন রোযা রাখবে। তবে তোমাদের কেউ যদি এমন অসুস্থ হয় যে, রোযা রাখা তার জন্য খুবই কষ্টকর কিংবা কেউ যদি মুসাফির হয় তাহলে সে ওই দিনগুলোতে রোযা না রেখে অন্য সময় তার সমপরিমাণ রোযা কাযা করে নিতে পারবে। আর যারা রোযা রাখতে সক্ষম তারা রোযা না রেখে ফিদিয়াহ দিলেও চলবে। ফিদিয়াহ হলো প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খানা খাওয়ানো। তবে রোযা না রেখে ফিদিয়াহ দেয়ার চেয়ে রোযা রাখা তোমাদের জন্য অনেক উত্তম। তোমরা যদি জানতে রোযার ফযীলত কী? তাহলে তোমরা তাই করতে। মূলতঃ এ বিধানটি প্রযোজ্য ছিলো রোযার বিধান চালু হওয়ার শুরুতে। তখন যে চাইতো রোযা রাখতো, আর যে চাইতো রোযা না রেখে খানা খাওয়াতো। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা সকল শক্তিমান বালিগ পুরুষ ও মহিলার উপর রোযা রাখাই ফরয করে দিয়েছেন।
X Facebook Minutemailer Stellar WhatsApp Reddit
সম্পূর্ণ সূরার ভিডিওতে যান
আগের আল-বাকারা • আয়াত 183 পরের আল-বাকারা • আয়াত 185