আমি এরূপ ভাবেই ইব্রাহীমকে নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের অত্যাশ্চর্য বস্তুসমূহ দেখাতে লাগলাম-যাতে সে দৃঢ় বিশ্বাসী হয়ে যায়। আল-আনআম ৬:৭৫ ⧉
তাফসির:
৭৫ তার সম্প্রদায়ের দাম্ভিক প্রধানেরা দুর্বল বিশ্বাসীদেরকে বলল, ‘তোমরা কি জান যে, স্বালেহ আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত?’ তারা বলল, ‘তার প্রতি যে বাণী প্রেরিত হয়েছে আমরা তাতে বিশ্বাসী।’১ [১] অর্থাৎ, যে দাওয়াত ও তাওহীদ নিয়ে তিনি এসেছেন তা যেহেতু প্রকৃতিরই আহবান, তাই আমরা তার উপর ঈমান এনেছি। বাকী থাকল তাদের এই প্রশ্ন যে, সালেহ আসলেই নবী কিনা? এ ব্যাপারে ঈমানদাররা কিছুই বলেনি। কেননা, তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে রসূল কি না এটাকে তারা আলোচনার যোগ্যই মনে করেনি। তাদের কাছে তাঁর রসূল হওয়ার ব্যাপারটা ছিল এক বাস্তব এবং অবধারিত সত্য। যেমন, বাস্তবতাও তা-ই ছিল।